বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৪ August ২০২০

ভূমিকা

চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল ও রপ্তানী পন্য। দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও ক্রমাগত নগরায়নে জনতার শহরমূখীতার কারনে চায়ের অভ্যন্তরীন চাহিদার পরিমান দ্রুত বেড়ে চলছে। ২০১৯ সালে বাংলাদেশে ১৬৭টি চা বাগানের প্রায় ৬৫ হাজার হেক্টর জমিতে ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। গত বছর অভ্যন্তরীন ভোগ ছিল ৯৫.২০ মিলিয়ন কেজি। ২০১৯ সালে ০.৬০ মিলিয়ন কেজি চা বিদেশে রপ্তানী হয়েছে। বাংলাদেশে চা চাষ শুরু হয় ঊনিশ শতকের গোড়ার দিকে।  জাতীয় অর্থনীতিতে এর গুরুত্ব বহুদিনের এবং সুদূর প্রসারী।

 

চায়ের রাজ্যখ্যাত সবুজ শ্যামলে ঘেরা শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট। গবেষণার মাধ্যমে উন্নততর প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও প্রয়োগের ধারাবাহিকতার লক্ষ্যেই ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই)। শুরু থেকেই বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এ ইনস্টিটিউটের বর্তমানে ৪টি উপকেন্দ্র রয়েছে। উপকেন্দ্রগুলোর একটি মৌলভীবাজার জেলার কালিটিতে, একটি চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়িতে, একটি উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়ায় এবং একটি উপকেন্দ্র বান্দরবান জেলার সুয়ালকে অবস্থিত। বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে উচ্চ ফলনশীলতা ও গুনগত মান বৃদ্ধি, চা শিল্পের উন্নয়ন ও উৎকর্ষে বিজ্ঞান ভিত্তিক পরামর্শ ও সহায়তা দান এবং গবেষণালব্ধ প্রযুক্তি চা শিল্পে বিস্তার করাই এ প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য। বর্তমানে এ ইনষ্টিটিউট National Agricultural Research System (NARS) এর ১২ টি জাতীয় কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের অর্ন্তগত একটি প্রতিষ্ঠান।

 

গবেষণা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের জন্য বিটিআরআই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাথে সংযুক্ত থেকে কাজ করে থাকে। অতি সম্প্রতি (০৬/০২/২০১৮) মাননীয় বাণিজ্য মন্ত্রী ও বাংলাদেশ চা বোর্ড এর চেয়ারম্যান মহোদয়ের উপস্থিতিতে বিটিআরআই ও টি রিসার্স ইনস্টিটিউট, চাইনিজ একাডেমী অফ এগ্রিকালচারাল সায়েন্স (TRI, CAAS) এর সাথে MoU স্বাক্ষরিত হয়েছে 


Share with :

Facebook Facebook